Medical Treatment
আপনাদের সহায়তায় আবারো দেখতে পাবে কাউসার
৳0 raised of ৳50,000 goal 0.00%- 0 Donations
- No deadline
- 0 Likes
খুব ছোটবেলা হঠাৎ করেই ডিসেন্ট্রি হয়। পরে প্রচন্ড জ্বর একটা সময় টাইফয়েড। শহর থেকে গ্রামের দূরত্ব অনেক তাই খুব দ্রুত ডাক্তারে নিয়ে যাওয়ারও সুযোগও ছিল না। একদিন দেখা গেল আদরের সোনামনিটার একটা চোখ উল্টে ভিতরের দিকে ঢুকে গেছে- মা ত চিৎকার চেঁচামিচি করে পেরেশান। পুরো বাড়িই মাথায় তুলে ফেলছে। কিন্তু দরিদ্র আর অসামর্থ্য যেখানে নিয়তির গল্প লেখে সেখানে কান্নাকাটি কোন পরিবর্তন আনতে পারে না। পরে যখন ডাক্তারে নিয়ে যাওয়া হলো তখন জানা গেল টাইফয়েডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে একটা চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। সেই থেকে কাওছার আহমদ (১৮) একটা চোখ ছাড়াই জীবনের পনেরোটি ( ৩ বছরের সময় অসুস্থ হয়) বসন্ত পাড়ি দিয়েছে। বলছিলাম সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার একটি গ্রাম মালিপুরের একজন কিশোর কাওছার আহমদের কথা। বাবা-মা দুজনই দিনমজুর। দিনে এনে দিনের খাবার যোগান দেওয়া মহিলা মানুষের দ্বারেদ্বারে ঘুরছেন নিজের বড় ছেলেটার চোখের আলো ফিরিয়ে আনার জন্য। কাওছারের বয়স যখন ৩ বছর তখন টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে একটা চোখ নষ্ট হয়ে যায়। পারিবারিক অসচ্ছলতা ও যথাযথ পরামর্শ কারও কাছ থেকে না পেয়ে জীবনের আঠারোটি বছর কেটে গেছে কাওছারের। একটা চোখ নিয়ে মানুষ বাঁচতে পারে কিন্তু জটিলতা দেখা দিয়েছে ভিন্ন জায়গায় - কাওছারের নষ্ট চোখ ভাল চোখটাকেও এখন নষ্ট করে দিচ্ছে। অতিরিক্ত পানি পড়া, প্রচন্ড ব্যথায় চোখ ছিড়ে ফেলার উপক্রম হয় - এমতাবস্থায় কাওছারের মা সুনামগঞ্জ চক্ষু হাসপাতাল, সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ সহ বিভিন্ন জায়গায় ডাক্তারদের সাথে যোগাযোগ করেন তারা নষ্ট চোখটা ফেলে দিয়ে একটি কৃত্রিম চোখ প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু অনেক দৌড়-ঝাপের পর জানা গেল সরকারী হাসপাতালগুলোতে এরকম কৃত্রিম চোখ প্রতিস্থাপনের পর কিছু জটিলতাও তৈরী হয়। পরে এলাকারই একজন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে ঢাকা ইস্পাহানী চক্ষু ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের সন্ধান পান এবং সেখানে কৃত্রিম চক্ষু প্রতিস্থাপনে অনেক স্বল্প খরচে অসুস্থ চক্ষু রোগিগণ সুস্থ হয়েছেন জেনে সেখানে কাওছারকে নিয়ে যাওয়া হয়। গত ১৯ জানুয়ারি ২০২০ সালে ইস্পাহানী চক্ষু ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের ডাক্তাররা সকল পরীক্ষানিরীক্ষা পর কাওছারকে কৃত্রিম চক্ষু প্রতিস্থাপনের জন্য সিদ্ধান্ত দেন এবং যেকোন সময় ৩ দিনের প্যাকেজে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে নষ্ট চক্ষুটাকে অপারেশন করতে পারবে বলে তারা জানান। কিন্তু একজন দিনমজুর বাবা মায়ের জন্য অপারেশন ও কৃত্রিম চোখ প্রতিস্থাপনের জন্য এতগুলো টাকা ম্যানেজ করা অত্যন্ত কষ্টের ও অসম্ভবও বটে। এ পর্যন্ত ঢাকা যাওয়া ও ডাক্তার দেখানোতে যে খরচটা হয়েছে তাও ঋণ ও দানের ওপর। তাই হৃদয়বান ও সামর্থবান মানুষের কাছে অনুরোধ একজন কিশোরের জীবনের আলো ফিরিয়ে দিতে আপনার হাতকে প্রসারিত করুন
Related Campaigns
Take a look at other campaigns in the same category.
Medical Treatment
by Munir Foundation
No deadline
আপনার একটুখানি সাহায্য একজন বোনের অনেক কষ্ট দূর করবে।
আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ্। মানবতায় নিজেকে বিলিয়ে দিন, ইনশা আল্লাহ্ আপনা...
৳0
0.00%
raised of ৳100,000
Medical Treatment
by Munir Foundation
No deadline
নূরানী শিক্ষকের পাশে দাঁড়ান!
নূরানী শিক্ষক শরিফুল হক আশিক। যিনি শিক্ষার্থীদের জীবন আলোকিত করার জন্য নিবেদিত।...
৳0
0.00%
raised of ৳30,000
Medical Treatment
by Munir Foundation
No deadline
মনোয়ারা আক্তারের চিকিৎসার জন্য কিছু সহায়তা প্রয়োজন।
একজন হার্টের রোগী।চিকিৎসার জন্য কিছু সাহায্য প্রয়োজন।
৳0
0.00%
raised of ৳5,000



